কোনো অতিথি আনা যাবে না। রাতে বাইরে থাকা নিষেধ। এমনকি অ্যাপার্টমেন্টের অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলাও কড়াভাবে নিরুৎসাহিত।
চাকরি ধরে রাখতে হলে এই নিয়মগুলোর প্রতিটা অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে বার্থোলোমিউর অ্যাপার্টমেন্ট সিটার, জুল লারসেনকে। আর তাতে জুলের আপত্তি নেই। কারণ, চাকরিটা যেন ভাগ্য খুলে দেওয়ার মতো: ম্যানহাটানের সবচেয়ে বিলাসবহুল ও রহস্যময় ভবনে থাকা, উচ্চ বেতন, সঙ্গে নজরকাড়া সুযোগ-সুবিধা, সব মিলিয়ে একেবারে স্বপ্নের জীবন।
কিন্তু এই ঝকঝকে মুখোশের আড়ালে ঘুরে বেড়ায় ভয়ংকর গুজব; অদ্ভুত দুর্ঘটনার গল্প, নিখোঁজ বাসিন্দাদের ফিসফাস, আর শতবর্ষী ভবনটির গায়ে লেগে থাকা এক অশুভ অতীত। তারপর আচমকাই আরেকজন অ্যাপার্টমেন্ট সিটার উধাও হয়ে যায়। জুল বুঝতে পারে, এটা কেবল গুজব নয়।
রহস্যের জট খুলতে গিয়ে জুল এমন এক সত্যের দিকে এগোয়, যা তার কল্পনাকেও হার মানায়।
সত্যের দরজা খুলতে গিয়ে জুল লারসেন নিজেই কি পরিণত হবে পরবর্তী শিকারে?
বার্থোলোমিউর প্রতিটি দরজার আড়ালেই লুকিয়ে আছে অন্ধকার একেকটা গল্প। কিছু সত্য কি তাহলে চিরকাল তালাবদ্ধ থাকাই ভালো?