প্রিয় পাঠক, আপনার কি মনে পড়ে, “ম্যাগপাই মার্ডার্স”-এর কারণে কীভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল আমার চাকরিজীবন?
মনে পড়ে, আমার প্রেম হয়তো পরিণয় পর্যন্ত গড়াত; কিন্তু বাধা হয়ে কীভাবে দাঁড়িয়েছিল “মুনফ্লাওয়ার মার্ডার্স”?
আমি আবারও হাজির হয়েছি আপনার সামনে, আরও একবার নিয়ে এসেছি একই মলাটে বন্দি একাধিক কাহিনি...
মারা গেছেন বিখ্যাত লেখক অ্যালান কনওয়ে, সমাপ্তি ঘটেছে তাঁর বেস্টসেলার সিরিজ অ্যাটিকাস পান্ডের।
তারপরও ডাক পড়ল আমার... নতুন একজন লেখকের লেখা “অ্যাটিকাস পান্ড’স লাস্ট কেস” সম্পাদনা করতে হবে। ইচ্ছা না থাকার পরও রাজি হলাম।
কিন্তু কে খুন করেছে শ্যাতো বেলমারের অধিবাসী লেডি শ্যালফন্টকে,
জানার আগেই আমার সামনে চলে এল অপ্রিয় একটা সত্যি।
সম্ভবত একই কায়দায় শেষ করে দেওয়া হয়েছে বাস্তবজীবনের জনপ্রিয় সাহিত্যিক মিরিয়াম ক্রেসকে।
তারচেয়েও বড় কথা, রহস্যের চাবিকাঠি আছে যাঁর কাছে, পান্ডের শেষ রহস্যোপন্যাসটা যিনি লিখছেন, সেই এলিয়ট ক্রেসকেও খুন করা হলো।
ফলাফল: প্রধান সন্দেহভাজন ভেবে নিয়ে আমার পেছনে উঠেপড়ে লাগল পুলিশ... ফাঁসিতে না ঝুলিয়ে ছাড়বে না।
এবং শেষপর্যন্ত যা কল্পনাও করিনি তা-ই ঘটে গেল... তক্কে তক্কে থাকা কেউ একজন হামলা করল আমার বাসায়।
প্রিয় পাঠক, আমি সুয্যান রাইল্যান্ড, এবং আপনার হাতের “মার্বেল হল মার্ডার্স”-ই
সম্ভবত আমার শেষ গল্প।