“মাসুদ রানা : নীল রক্ত সহযোগী” বইয়ের শেষের ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ ডক্টর লাবনী আলমকে ডুবন্ত গাড়ি থেকে উদ্ধার করেই মহা ঝামেলায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল মাসুদ রানা। কিংবদন্তীর সেই আটলান্টিসের মহামূল্যবান এক আর্টিফ্যাক্ট ক্রয় করতে ইরানে গেল ওরা। ভুলেও ভাবেনি,কবর-লুঠেরা আরাশ খানসারি টাকা তাে নেবেই,খুনও করতে চাইবে ওদের।। মরতে আপত্তি আছে বলে প্রাণপণে লড়ল ওরা। ইরান থেকে ফিরেই ব্রাযিল,গালফ অভ কেডিয,তিব্বত। জটিল রহস্যের সব গিঁঠ যখন খুলল,রানা চিনল আসল শত্রুটা কে। পৃথিবীর পঁচাশি ভাগ— অর্থাৎ,সাড়ে পাঁচ শ’ কোটি মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে ঝাঁপ দিতে হলাে ওকে মৃত্যুর মুখে। রেইভেন্সফিওর্ডের উপকূলে ভয়ঙ্কর ভাইরাস বহনকারী বিমানে উঠেই রানা বুঝল: পড়েছে উত্তপ্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে!