মেঘলা মেয়ে
ছোটবেলা থেকেই দাদা-দাদুর আদর পায়নি আদ্রি—সে নাকি কালো পেত্তুনি! সঙ্গীরাও নাক সিটকেছে তাকে নিয়ে। অবুঝ আদ্রির আবদার রাখতে গিয়ে ছোটবেলাতেই একটি দুর্ঘটনায় বাবা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। এজন্য মা-ও তাকে অপয়া বলে। বড় হলে স্বামী আর শাশুড়ির কাছেও পেয়েছে এরচেয়ে জঘন্য কিছু। ছেলেবেলার রাজকুমারটিও জীবনে জুটেনি। হায়! কত কষ্ট! ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে! কেন তার জীবনে এতটা কষ্ট! কী পাপ করেছিলো সে? সে কি জীবনে কিছুই পাবে না? সৃষ্টিকর্তার কী রহস্য লুকিয়ে আছে এতে? শেষমেশ কী হবে…
ফারহীন
ফারহীন। শুধু একটি মেয়ের গল্প,যার জীবন যেন দুঃখের ডায়েরি। তবে এটি শুধু একটি উপন্যাস নয়—এ যেন হৃদয়ে জমে থাকা না-বলা অনুভবের প্রতিচ্ছবি।
সমাজের অগোচরে এমন অনেক ফারহীন আছে—যারা নীরবে কাঁদে, আবারও উঠে দাঁড়ায়। তাদের অভিমান, প্রশ্ন আর ক্লান্তি—সবকিছু হিজাবের আড়ালে চাপা থাকে। তারা কারও স্বীকৃতি চায় না, তারা চায় আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে।
এই উপন্যাসটা খুব বাস্তব, খুব কাছের বাস্তব। কেবল একটি কাহিনি নয়, এটি একজন মেয়ে কীভাবে নিজের চারপাশের অন্ধকার ভেদ করে পথ খোঁজে—তারই এক সাহসী আত্মকথন।
ভালোবাসা, ত্যাগ, সামাজিক বাস্তবতা আর একাকিত্বের ভেতর এক শক্তিশালী নারীকণ্ঠের আবির্ভাব—এই উপন্যাসে সেই কণ্ঠ শোনা যাবে।