বইটি প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে
সিগমুন্ড ফ্রয়েডের মতে মানুষের মস্তিষ্ক-কোষকে প্রধানত তিনটি স্তরে বিভক্ত করা হয় চেতন, অবচেতন ও অচেতন। মানুষের কল্পনাশক্তির বিস্তারলাভ করে অবচেতন স্তরে। বিচিত্রমালী চিন্তার এক স্তর থেকে অন্য স্তরে গমন, এবঙ তা থেকে আবার পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসা এ-স্তরেই ঘটে থাকে বহুমুখী কল্পনার একটি হলো জৈবিক বিষয়। মানুষ যদি অবচেতন স্তরে কোনো জৈবিক বিষয় নিয়ে কল্পনা করে, তাহলে তাকে বলা হয় লিবিডো (Libido)। মানুষ মাত্রই লিবিডোর সুতোয় বাঁধা।
পুতুলের মতো সুতোর টানের সাথে সাথে মানুষ নাচে বিচিত্র তালে। জীবন তো এই। জীবন মানেই মিথস্ক্রিয়ার সমন্বয়। মিথস্ক্রিয়া। Interaction. পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াই হলো মিথস্ক্রিয়া। এ-উপন্যাসে পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ঘটে একাধিক নারী-পুরুষের মধ্যে। এবঙ তা জৈবিক মিথস্ক্রিয়া।