মেয়েটি পথ ধরে এগিয়ে চলেছে। এক উদ্ধত যৌবনের প্রাণবন্ত প্রতিমূর্তি যেন। তার গায়ে দুলছে লালচে বাদামী শালের প্রান্ত। হাতে ঝুলছে উইলোর বাস্কেট। পশ্চিমের এই ওহাইও অঞ্চলে যেমন ঘোর বনবাদাড়, সেখানে বাস করতে হলে এমনি সমর্থ সুঠাম দেহেরই প্রয়োজন। গভীর বনানীর বুক চিরে নিরিবিলি এ পথ চলে গেছে টালদের সেই বন-উন্নয়ন দস্তুর পর্যন্ত। অথচ সারা পথে গাছের একটি শাখাও কাটা দেখা যায় না। পেছন দিকে এই সরু পথটি চলে গেছে কোভেনহোভেনদের এলাকা পর্যন্ত। বিগ জনের মাল-টানা গাড়িটার এঁকেবেঁকে হেলেদুলে দুদিকের ঘন জঙ্গলের মাঝ দিয়ে চলার জন্যে যতুটুকু দরকার পথটি ঠিক ততটুকুই চওড়া।
দুপাশে ঘন গাছগাছালি ঢাকা এই বনপথটির অস্তিত্ব পূর্বেও ছিল। ইণ্ডিয়ানরা এটা তৈরী করেছিল। কিংবা তারও আগে-সাওয়ানীদের মতে, বুনো মোষদের চলাচলের ফলেই এটা তৈরী হয়ে গিয়েছিল। এ পথের বিস্তার দূর নদীর কুল Ad পর্যন্ত। তবে একটু চওড়া সওড়া হলেও গোটা পথটাই ঘন জঙ্গলে আকীর্ণ,,,