হাসপাতালের রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে আমি দেখছিলাম- দূর। এই নাগরিক শহরের হিজিবিজি নানা রকম বিল্ডিং, ইলেকট্রিক তারের প্যাঁচগোজ, মানুষের চিৎকার, গাড়ির টানা হর্ন আর যন্ত্রের কুচকুচে ধোঁয়ার মধ্যে একফালি আকাশ খুঁজতেই যেখানে কয়েক ফালি লাফ দিতে হয়, সেখানে দিব্যি আমি এইসব যন্ত্রপাতিকে ঝাপসা করে দিয়ে সুবিশাল আকাশের বিশাল ফাঁকায় দেখছিলাম একটা শকুন বোমারু বিমানের মতো চক্কর খাচ্ছে।
স্পষ্ট অনুভব করা যায়, তার মহান চক্ষু পাহাড়ের ওপর কিছু একটা জিনিসের দিকে নিবদ্ধ।
ওখানে কি গরু মরে আছে?
এই উঁচুতে গরুটা উঠল কী করে?
নিজের ভারে ক্লান্ত হয়ে কেবিনে ফিরে আসি, ধ্যাৎ, চিল কি শুধু গরুই খায়? হয়তো কোনো পাখি। আমি বিছানায় শুয়ে পড়তেই হাসপাতালের শাদা চাদর সফেন জলের মতো পাক খেয়ে ওঠে।