ফ্ল্যাপে লিখা কথা
অনি আর আদিত্য। দু’ভাইবোন। এক শীতের বিকেলে দু’ভাইবোন পাহাড়ে বেড়াতে যায়। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকাতেই অনি দেখতে পায় অস্বাভাবিক হাতের এক ছায়া। অনি ভয় পেয়ে যায়। ভয় পাওয়ার কথা ছোট ভাইকেও বলে।
ছয়াটা কিসের? ভূতের? মানুষের? নাকি অন্য কোনো প্রাণীর? এই নিয়ে দু’ভাইবোনের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। সায়েন্স ফিকশন বইয়ে ওরা পড়েছে পৃথিবীতে ভীন গ্রহ থেকে প্রাণীরা নেমে আসে। কেন আসে? এই নিয়ে আছে নানা রহস্য। সে রহস্য উদঘাটনে তারা তৎপর। একদা ছায়ার প্রাণীটির সাথে তাদের পরিচয় হয়। প্রাণীটি এসেছে ভীনগ্রহ থেকে। যে গ্রহটা একেবারেই নীল। প্রাণীটি এসেছে সাথে ওরা ‘আউট রেঞ্জার অব স্পিরিট’ নামক জাহাজে চড়ে। জাহাজে চড়ে দেখে সেখানে রয়েছে লেডি করোলিন, মি. জিন ও মি. হাইডে।
জাহাজে চলে ওরা নলি গ্রহের রহস্য জানতে পারে। কী সেই রহস্য? ভীন গ্রহের প্রাণীদের আচার-আচরণই বা কেমন?
এই নিয়ে কিশোর পাঠকদের জন্য দুর্দান্ত এক সায়েন্স ফিকশন লিখেছেন হুমায়ূন কবীর ঢালী।
ভূমিকা
নীল গ্রহের রহস্য আমার প্রথম লেকা বিজ্ঞান কল্পকাহিনি। প্রথমে ভেবেছিলাম অন্যসব লেখার মতোই এটা লিখে ফেলব। কিন্তু লিখতে বলে বুঝতে পারলাম বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা খুব সহজ নয়। কঠিন হলেও শেষ পর্যন্ত এটা শেষ করতে পারে ভালো লাগছে। আশা করি আমার অন্যান্য লেখার মতো ‘নীল গ্রহের রহস্য’ কল্পকাহিনিটিও প্রিয় পাঠকদের ভালো লাগবে।
হুমায়ূন কবীর ঢালী
ফরিদাবাদ, ঢাকা-১২০৪