বিকেলে স্কুল থেকে বের হয়েই হাসি তার স্কুলের কাছের সরু পথটি ধরে হাঁটতে থাকে। রোজই সে স্কুল থেকে তার বন্ধুদের সাথে বের হয় কিন্তু কিছুটা পথ যাবার পর এই সরু রাস্তাটির কাছে এসে রোজ সে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। তখন আপনমনে সে হাঁটতে থাকে যেন তার আশপাশে কেউ নেই। সরু রাস্তাটির দুই ধারে সারি সারি গাছ লাগানো। পড়ন্ত বিকেলে মিঠে রোদ্দুর আলোতে হাসি তখন গুনগুন করে তার প্রিয় গানটি ধরে আর ছোট ছোট পা ফেলে হেঁটে যায়।
সারাদিনে নিজের মতো করে কাটানো এই সময়টুকু ওর বড় বেশি ভালো লাগে। প্রথমে একা হাঁটা শুরু করলেও হাসি জানে যে খানিকপরেই ও আর একা থাকবে না। তার এই পথের প্রতিদিনকার সাথী পল্টু চলে আসবে। ভাবতে ভাবতে হাসি পথ চলে আর ঠিক তখনই পাশের মাঠ থেকে আট কি নয় বছরের একটি ছেলে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসে। গায়ে একটা ধুলোমাখা ঢলঢলে শার্ট আর একটা হাফপ্যান্ট পরা। শার্টের ছ্যাঁড়া পকেটটা পেট পর্যন্ত ঝুলে আছে।