“কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে ঠিক নিজস্ব ঠিকানার মত, একটা শান্তির নীড়ের মতো।
যেখানে বারবার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে,
যদিও জানা থাকে সেখানে পৌঁছানো সহজ নয়।”
পুরান ঢাকার একটা পুরাতন বাড়ি, গাছ গাছালি দিয়ে পূর্ণ একটা গলি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একজন কিশোরী আর সেই গলি দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাওয়া একটা কিশোর। চোখে চোখে শুরু হয়েছিল এক নিঃশব্দ ভালোবাসা।
সেই ভালোবাসার নাম— “নীড়”।
এ গল্প শুধু প্রেমের নয়, এ গল্প অপেক্ষার।
এ গল্প এমন দুই মানুষের, যারা কখনো খুব কাছে এসেও দূরে ছিল, আবার বহু দূরে গিয়েও একে অপরের ভেতর বেঁচে ছিল।
কিছু ভালোবাসা আছে, যেখানে স্পর্শের প্রয়োজন হয় না। মনই সেখানে মনকে ছুঁয়ে ফেলে।
অঞ্জলি আর মাইকেলের গল্প তেমনই এক গল্প।
পেয়েও হারানো আবার খুঁজে পাওয়া। ভালোবাসা ভুলে যাবার সংগ্রাম বার বার কিন্তু বার বার ফিরে আসা।
এর মাঝেই আছে দু'জনের ধর্ম বিশ্বাসের তফাৎ। একজনের আশ্চর্যজনক রূপান্তর, আধ্যাত্মিকতার দিকে ফিরে আসা, ফিরে আসা নিজ রবের কাছে। আরেকজন তখনও পথহারা এক পাখি, যে জানেই না কোন আকাশে তার ঠিকানা।
ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, অনুশোচনা, আধ্যাত্মিকতার আহ্বান আর ফিরে পাওয়ার গভীর আকুতি নিয়ে “নীড়” এমন এক যাত্রা, যেখানে হৃদয় আর ঈমান বারবার মুখোমুখি দাঁড়ায়।
তবে কি শেষ পর্যন্ত তারা পেরেছিল একই নীড়ে ফিরতে? নাকি কিছু ভালোবাসা শুধু স্মৃতি হয়েই বেঁচে থাকে..?