মীনকূলের সন্ধানে সন্ধানে, দরিয়ায় ভাসে প্রত্যাশার বোনা জাল। আঁধার মিনারে পূর্ণিমা হেসেছে, সুখ সায়াহ্নে লেখা নির্মোহ মহাকাল।
পথের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে পেছনে ফিরে তাকালে ফেলে আসা পথটুকু অতীত মনে হয়। বিষাদিত ও সুখকর মুহুর্তগুলোকে পিছু পথে জোনাকের ন্যায় জ্বলে নিভে লুকোচুরি খেলতে দেখা যায়। যার মোহে আকৃষ্ট হয়ে কেউ ফিরে যেতে চায়, কেউ নির্মোহ মনে করে সেই পথ ভুলে থাকতে চায়। প্রয়াত যুগের জমিদার এবং এক উদ্যমী নবযুবকের রণজীবন কেন্দ্রিক উপাখ্যান ‘নির্মোহ মহাকাল’।
নির্জীব জীবনের নিবিড় সংগ্রাম দিয়েই সজ্জিত যার সূচনা ও সমাপ্তি।”