ত্রিশ বছর আগে জন পুলারের জীবনটা ওলটপালট হয়ে যায়,যখন ফোর্ট মনরো থেকে তার মা জ্যাকি আচমকাই উধাও হয়ে যান। কিন্তু আচানক একটা চিঠির উপর ভিত্তি করে ‘জ্যাকি মিসিং কেস’ রিওপেন করা হয়। আর কেসের প্রাইমারি সাসপেক্ট হিসেবে সন্দেহ করা হয় জন পুলারের বাবা লিজেন্ডারি মিলিটারি থ্রি স্টার হোল্ডার জন পুলার সিনিয়রকে,যিনি ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত…এবং দীর্ঘদিন যাবৎ হাসপাতালের চার দেয়ালের ভেতর বন্দী! এদিকে খুনের দায়ে দশ বছর ধরে প্রতিশোধের আগুন বুকে নিয়ে জেল খাটছে পল রজার্স । তার এই অবস্থার জন্য দায়ী সবাইকে নিজের হাতে খুন করবে সে। কুড়ি বছর আগে ফোর্ট মনরোর এক রহস্যময় ফ্যাসিলিটি থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল সেও। ঠিক কী হয়েছিল ফোর্ট মনরোতে? জন পুলার কি পারবে বড় ভাই এয়ারফোর্স মেজর রবার্ট আর শ্যাডো ইউএস ইন্টেলিজেন্স এজেন্ট ভেরোনিকা নক্সকে নিয়ে মায়ের নিখোঁজ রহস্যের সমাধান করতে? ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনরূপী পল রজার্সের সঙ্গে যুদ্ধে পারবে কি জয়ী হতে,নাকি তার কপালেও নাচছে মায়েরই মতো গুম হয়ে যাওয়ার দুর্ভাগ্য? ডেভিড বালডাচির জন পুলার সিরিজের চতুর্থ তথা শেষ খণ্ড ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ এর অন্ধকার জগতে আপনাকে স্বাগতম।