বরেন্দ্রভূমির ধূসর দিগন্তে ম্লান হয়ে আসা এক আভিজাত্যের নাম বলিহার রাজ এস্টেট। তিনশ বছর আগে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণ্যে যে রাজবংশের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল, শেষ জমিদার কুমার বিমলেন্দু রায়ের বিদায়ে সেই ইতিহাসের চিরস্থায়ী যবনিকাপাত ঘটে। কিন্তু ইতিহাসের নির্জীব পাতার আড়ালে লুকিয়ে ছিল কিছু জীবন্ত দীর্ঘশ্বাস। লেখক রফিকুল ইসলাম তাঁর পেশাগত জীবনের প্রাচীন দস্তাবেজ আর শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে এনেছেন সেইসব না বলা কথা। রাজাদের দোর্দণ্ড প্রতাপের চেয়েও এখানে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে রাজ-অন্তঃপুরের রাণীদের ম্লান হাহাকার আর অপূর্ণ বাসনা।
‘নৃসিংহ থেকে বিমলেন্দু’ এটি কেবল কোনো শুষ্ক ইতিহাস নয়; বরং পরিত্যক্ত রাজপ্রাসাদের শ্যাওলা ধরা প্রতিটি ইটে বন্দি থাকা এক অপার্থিব শোকের জলছবি। আপনি কি তৈরি সেই বিস্মৃত অতীতের হাহাকার শুনতে?