কনডেম সেলে বসে সুরত ভাবছেন শোকগাথা স্মৃতি সত্তায় জড়িয়ে রাখা পুষ্পরানীর কথা। ভাবছেন ভীষণ রক্তাক্ত এই বুক কেন অন্তরালে লজ্জার মুখোশ পরেছে। এভাবে বাঁচে না হৃদয়। যেখানে হাতের মুঠোয় মৃত্যু সেখানে প্রাণভিক্ষা চাওয়া মানে নিজের সাথে বিপ্লব করা আর রুক্ষ দিনের সাথে বন্ধুত্ব করা।
ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত। প্রস্তুত জল্লাদ জমশের ও লাল মিয়া। কার্যকর করা হবে ফাঁসি। করানো হয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জানতে চাওয়া হয় শেষ ইচ্ছার কথা। করানো হয়েছে গোসল। দেওয়া হয় পছন্দ অনুযায়ী খাবার দাবার। ধর্মীয় আচার মোতাবেক চাওয়ানো হয় ক্ষমা। গাল কাটা সুরত বুঝতে পারে আজই তার জীবনের শেষ রাত।