“অনুকথা : মন দর্শন জীবন” বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ ‘এক জীবনের ভেতর অন্য এক যাপিত জীবন। যে জীবনকে সে বােঝে,কিন্তু মানতে পারে না; যে জীবনকে সে মেনে চলে,কিন্তু বােঝে না। ধীরে ধীরে অনুকথা সেই জীবনের জট ভাঙ্গে। কখনাে দর্শনে,কখনাে মননে,কখনাে ধীর লয়ে বলে উঠে,‘গভীর চিন্তার আকর্ষণ কম; আকর্ষণীয় চিন্তার গভীরতা কম। পরক্ষণেই অপূর্ব চৌধুরী বলে যান,দরকারি কথাটি ছােট হলে ভালাে,বাকি সব কথার যত আলাে। অনুকথার বুনন বিশ্বাস করে‘ভালাে বই জন্ম নেয়; জনপ্রিয় বইগুলাে তৈরি করা হয়। তাই সে বদলে দিতে চায় প্রাত্যহিক ছােট ছােট জ্যামিতিক অনুভবগুলাে- শব্দে ও বাক্যে,স্বচ্ছতায় এবং সারমর্মে- নিত্য বােধগুলাে ভেঙ্গে এক একটি বাক্য দিয়ে বানিয়ে চলে উপলব্ধির নতুন সালুন। বাধা চোখ খুলে ‘অপূর্ব চৌধুরী দেখিয়ে দেন প্রতিটা জীবনই এক একটি জীবন্ত বই; কারাে কারাে বাঁধাই করা,কারােটা ছেড়া পাতা।’ মন,দর্শন এবং জীবন- এই- ত্রয়ী বােধে অনুকথার এক কথা- ‘যা চলে গেছে তা জীবন নয়; যা আছে সেটাই জীবন।