পূজাদের বিল্ডিংটা দোতলা। নকশা খুব সুন্দর, স্কুল ঘরের মতো নয়। বাড়িতে কোন ভাড়াটে নেই। নিজেরাই থাকে। মানুষ যেমন বাড়ি জুড়ে বিল্ডিং করে ভাড়া দিয়ে রাখে এরা তেমন নয়। বিল্ডিং-এর চারপাশে জমি। সামনে ফুলের বাগান, পেছনে পুকুর, ডান দিকে ফলের গাছ আর বা দিকে খালি, শুধু সবুজ ঘাস। পুকুরটা মাটির নিচে। ওপর থেকে এর দৈর্ঘ্য-প্রস্থ বোঝা যায় না। পুকুরে নামার পথটা গোলাকৃতি।
বিকেলে সূর্যের তাপটা যখন হঠাৎ করে পড়ে যায় তখন পূজা আর তার মা- বাবা এসে খোলা জায়গাটায় বসেন। চা-কফি পান করেন। বিকেলে তারা বেশি কিছু খান না। তবে পানীয়তে বিভিন্নতা বজায় রাখেন। সব সময় শুধু চা বা কফি নয়; হরলিক্স, মালটোভা যখন যা খুশি। একটা জিনিস বেশি দিন ভালো লাগে না। এর একটা ক্ষতিকর প্রভাবও থাকতে পারে। কোনো কোনো চিকিৎসক উদ্দীপক পানীয়ের বিপক্ষে বলেন।
চকলেট ও এক ধরনের উদ্দীপক। অনেকেই তা জানেন না। পূজার বাবা জানেন। এইচ, এস, সি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান পড়েছেন। ডাক্তারী পড়ার সুযোগ পান নি বলে মানবিকে স্নাতক (পাস) করেছেন। তারপরে এল এল বি।