লীনা পরেছে কফি কালারের ফতুয়া আর সাদা জিন্স। পায়ে সফট হিলের লাল- সাদা স্যান্ডেল। চুল পনিটেল করা। শ্যামলা রঙের লীনাকে বেশ সুন্দর দেখাচ্ছে। জুনাইদের বর্তমান কালের তরুণদের স্টাইলে বেশ লম্বা চুল। থুতনির কাছে একমুঠো দাড়ি। দুইজনের কাঁধেই ক্যানভাসের ব্যাগ। কানের হেয়ারফোন গলায় ঝুলছে, যা প্যান্টের পকেটে রক্ষিত এন সিরিজের নোকিয়া মোবাইল ফোনসেটের সাথে সংযুক্ত। জুনাইদ ঢাকা চারুকলা ইন্সটিটিউটের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আর লীনা প্রথম বর্ষ বি.বি.এ. ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। ওদের বয়সটাই এখন ঘোরার, ফ্যাশন করার আর প্রেম করার। বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স থেকে বেশ সহজেই বের হওয়া গেল। বের হওয়ার সময় নিরাপত্তা আর্চের ভেতর দিয়ে যেতে হয় না। মেটাল ডিটেকটরের চেক করতেও হয় না। কেবল ঢোকার সময় এ সব সতর্কতা নেয়া হয়। কমপ্লেক্সের বাইরেও শত শত মানুষের ভিড়। গাড়ি আর গাড়ি। রাস্তায় জ্যাম। সি.এন.জি চালিত অটো-রিকশা অনেক আছে। কিন্তু তারা যাবে না। অসহায় কিছু মানুষ বৌ-বাচচা নিয়ে তাদের হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করছে যাওয়ার জন্য।