এক সময়ে আমাদের পূর্বপুরুষগণ আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসার উপর বেশি নির্ভরশীল ছিলেন। তারা প্রাকৃতিক নিয়মে গাছ-পালা, লতা- পাতার চিকিৎসার মাধ্যমেই সুস্থ থাকতেন। তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং দীর্ঘায়ু পেতেন। আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ব্যতিত মানুষের শারীরিক সুস্থতার নিশ্চয়তা দিতে সক্ষম। আজকের বৈজ্ঞানিক যুগে এলোপেথিক চিকিৎসার কারনে কবিরাজী বা গাছপালা থেকে তৈরি ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা অনেকটা বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমি পেশাগত কাজে চট্টগ্রামে অবস্থানকালীন সময়ে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার প্রতি আমার আগ্রহ সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে মোজাহের আয়ুর্বেদিক কলেজের উপাধ্যক্ষ দুলাল বাবু এবং অধ্যক্ষ শতদল বড়ুয়ার মাধ্যমে আয়ুর্বেদিক কলেজে ভর্তি হই এবং সম্মানের সহিত প্রথম বিভাগে ডি,এ,এম,এস কোর্সে উত্তীর্ণ হই। আমি দেখতে পেলাম অনেক দূরারোগ্য ব্যধি সারাতে ঔষধি গাছের গুনাগুণ অতুলনীয়।