"অ্যা লিটল হিস্ট্রি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড" বইটির সম্পর্কে কিছু কথা:
১৯৩৫ সালে শিল্প ইতিহাসের উপর ডক্টরেট লাভের পর ২৬ বছর বয়সী গােমব্রিক কোনাে প্রকার চাকরির সন্ধান না করে ইতিহাসকে তরুণ পাঠকদের কাছে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেন। খুব আশ্চর্যজনকভাবে মাত্র ৬ সপ্তাহের মধ্যে তিনি কাজটি শেষও করে ফেলেন। তাঁর লেখা বই আজ পৃথিবীর ২৫টি ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে বইটির ইংরেজি অনুবাদ হয়েছিল অনেক পরে। জীবনের শেষের দিকে গােমব্রিক “অ্যা লিটল হিস্ট্রি অব দ্য ওয়ার্ল্ড”-এর ইংরেজি অনুবাদের দিকে নজর দেন। বইটিতে চল্লিশ অধ্যায়ে গােমব্রিক একেবারে প্রস্তর যুগ থেকে শুরু করে পারমাণবিক বােমার যুগ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করেছেন। এই দুই সময়ের মধ্যে তিনি বিভিন্ন যুদ্ধ, বিজ্ঞানের বিকাশ, শতকের পর শতক ধরে মানুষের নানান অভিজ্ঞতা, নানান অর্জনসহ অনেক বিষয় ব্যাখ্যা করেছেন। সবকিছু মিলে মানব সভ্যতার ইতিহাস জানার এক গুরুত্বপূর্ণ বই “অ্যা লিটল হিস্ট্রি অব দ্য ওয়ার্ল্ড”।