পদ্মানদীর মাঝি’র কাহিনি সংক্ষেপচারদিক যখন পানিতে থই থই করে তখন জেলেরা যায় পদ্মায় মাছ ধরতে। অর্থাৎ ঘন বর্ষা হলো তাদের মাছ শিকারের উপযুক্ত সময়। এ সময় জেলেরা জাল-নৌকা নিয়ে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়ে রাত-দিন নদীতে মাছ ধরায় থাকে ব্যস্ত। এমনই এক মৌসুমে কেতুপুর গ্রামের কুবের, ধনঞ্জয় ও গণেশ যায় পদ্মায় মাছ ধরতে। তারা দেবীগঞ্জের মাইল দেড়েক উজানে যায় মাছ ধরতে। তারা যে জাল ও নৌকা নিয়ে যায় তার মালিক হলো ধনঞ্জয়। তাই মাছ ধরা হলে অর্ধেক যায় ধনঞ্জয়ের ভাগে আর বাকি অর্ধেক কুবের ও গণেশ ভাগ করে নেয়। ধনঞ্জয়ের কাজ হলো নৌকার হাল ধরে থাকা, কুবের আর গণেশ জাল ফেলে মাছ ধরে।একদিন কুবেরের শরীরটা ভালো ছিল না। তার গায়ে ছিল জ্বর। তবুও তাকে মাছ ধরতে যেতে হয়। কারণ তার এ আয়ের ওপরই নির্ভর করে সংসারের যাবতীয় চাহিদা। তাই না গিয়েও তার উপায় নেই। তার ওপর এবার সে অখিল সাহার পুকুরটাও জমা নিতে পারেনি। এ জন্য এবার তাকে খাটতে হবে বেশি।