"পলাতকা" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
শম্পা বলেছিল, তাের ঘর কি, ওটা তাে আমার ঘর ছিল। ও ঘরের খাট, আলমারি, ড্রেসিং টেবিল সব জিনিসপত্র আমার টাকায় কেনা। আমার বিয়ে হলাে, বাসা ছাড়লাম, তুই ঘরটা দখল করে নিলি, ও বাড়িতে আমার আর কিছু নেই। চোখে পানি চলে এসেছিল নীপার। শম্পা আপা এরকম ফটাস ফটাস করে সবার মুখের উপর কথা বলে ফেলে। নীপা তারেককে বুঝতে দিতে চায় না তাকে ছেড়ে থাকতে নীপারও খারাপ লাগে। তারেকের ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি হিসেবে চাকরি। দুই বছর প্রবেশনারি পিরিয়ড। তারপর চাকরি পাকা। তখন বিয়ে করবে নীপা ও তারেক। শম্পা ও নীপা দুই বােন দুই মানুষ। তারেক ঠাট্টা করে বললেও কথা সত্যি। নীপার কোনাে গুণ নেই। লেখাপড়ায় ডাব্বা। থার্ড চেষ্টায় এসএসসি। শম্পা আপার বড় ব্যবসায়ী পরিবারে বিয়ে হয়েছে। জামাই বউ দুজনেই আমেরিকা থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে এসেছে। শম্পা নিজেও বড় চাকরি করে। উপন্যাসে শম্পা ও নীপা দুই বােনের জীবন সংসারের নিয়মে একাকার। পলাতকা শম্পার গল্প অথবা নীপার।