পড়ন্ত বিকাল। সূর্যের তেজ কমে গেছে। এমনিতেই শীতের বিকাল। রোদের তেমন তাপ নেই। কিছুক্ষণ পর আবার ঘণ কুয়াশায় ঢেকে যাবে। মাঝ রাতে শুরু হবে হিমেল হাওয়া। কনকনে শীতের তান্ডবে কাঁপবে মানুষ, পশু-পাখি। হাড় কাঁপানো শীতে শুরু হবে জনমনে দূর্ভোগ। তবুও মানুষ হেসে খেলে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এক জীবনে এত কষ্ট, এই এলাকার মানুষ কষ্টকে জয় করে আনন্দের সাথে বাঁচতে শিখেছে। কষ্টকে তারা কষ্ট মনেই করেন না। উত্তরের হিমবাহের এতটাই হিম যে শরীরের মাংস ভেদ করে হাড় পর্যন্ত শীত অনুভূত হয়। কখনো কখনো হিমবাহের সাথে গুড়ি গুড়ি তুষারপাত।
জনজীবনে নাকাল অবস্থা বিরাজ করে। আবার বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি সময়। মানুষজন গরমে হাঁসফাঁস করে। এমনিতেই সূর্যের অগ্নি চোখ, সূর্যকে ঢেকে দেয়ার মতো আকাশে কোনো মেঘ থাকে না। চারদিকে ধু ধু মাঠ। গরমে মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বের হতে চায় না। উত্তরে একটা বড় সমস্যা, গরমে প্রচন্ড গরম আর শীতে প্রচন্ড শীত। শীত আর গরমের মাঝে যারা বসবাস করেন তাদের জীবন জীবীকা নিয়ে এবারের উপন্যাস “পোড়”। সর্ব উত্তরের ছোট একটি অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবীকা ও কর্মজীবনের উপর ভিত্তি করে “পোড়” উপন্যাস।
এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো কাল্পনিক। এই “পোড়” উপন্যাসের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করে কীভাবে সেটা কাজে লাগানো সেটায় মূল লক্ষ্য।