‘মেধা’ আর ‘প্রতিভা’র সংশ্লেষে যার জন্ম তিনি সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। এমন
বিরল অসাম্প্রদায়িক প্রতিভাবান কালেভদ্রে কোনো বিদ্বৎসমাজে আবির্ভূত হন
মানুষের মঙ্গলের জন্য। মেধাবীরা সমাজ-রাষ্ট পরিচালনা করেন; প্রতিভাবানরা বেশির
ভাগই ঝরে যান নিজস্ব অহংকারে। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সেই মানুষ, যিনি তার
নিকট-আত্মীয় সৈয়দ মুজতবা আলীর কাছ থেকে পেয়েছেন মুক্তমনের বহুমাত্রিক
সৃজনশীল মানুষ হবার প্রণোদনা। যেমন রসবোধ, তেমনি বাঙালিয়ানা; সৃজনশীল
লেখার শৈলী নির্মাণের মধ্যে ঔপনিবেশিক আধুনিকতার ছাপ নেই বললেই চলে।
যা দেখেছি ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র বিশেষ করে ত্রিশের দশকের পঞ্চপাণ্ডবদের মধ্যে,
এই সময়েও যার চর্চা বিদ্যমান। প্রকৃতই তিনি স্বার্থহীনভাবে মানুষকে কাছে টানতে
ও ভালোবাসতে পারতেন।