দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর বিয়ে হয়েছিল তাদের। তার আগে আকস্মিক পরিচয়, পরিচয়ের বিস্তার-এসব নিয়ে প্রায় দুবছর কেটেছে। পরের দুবছর নির্ভেজাল প্রেম। এভাবে ধরতে গেলে বছর চারেকের জানাজানি শামা ও ফারদিনের। তারপর বিয়েতে পরিণতি। এত বছরের চেনাজানা সত্ত্বেও বিয়ের পর শামা দেখল ফারদিনের অনেক কিছু তার অজানা।
সে যে ঠিক কী ধরনের বা কী প্রকৃতির তা তার জানা ছিল না। এ যেন এক অন্য মানুষ। শামা তাকে চেনে না। ফারদিন কি এই রকমই ছিল? কেমন? না, হঠাৎ রেগে আগুন, পরক্ষণেই গলে পানি। কখনও নরম-কোমল, কখনও রাফ-উগ্র, কখনওবা কিছুটা নির্মম বা নিষ্ঠুর। এই ভালো, এই মন্দ! মনে পড়ে, তখন বিয়ে হয়েছে, বোধহয় ছমাসও পেরোয়নি। একদিন ওরা নিজেদের ঘরে গল্পে মশগুল ছিল। ফারদিনের আদি রসাত্মক জোকগুলো আরক্ত মুখ নিয়ে শুনছিল শামা।