স্বাতী এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো ঘড়ির দিকে তাকাল। সে রাস্তার যে অংশে জ্যামে আটকা পড়েছে সেই অংশটা তার অতি পরিচিত। খিলগাঁও রেলক্রসিং। সে যখনই এই রাস্তা দিয়ে যায় তখনই জ্যামে পড়ে।
বিকালে আকাশে কাল মেঘ জমেছে। হয়তো একটু পরেই বৃষ্টি নামবে। সেই সম্ভাবনায় এখনই স্বাতীর মুখ বিরক্তিতে কুঁচকে উঠেছে। তালতলা সুপার মার্কেট পর্যন্ত যাওয়ার পর বাসায় যাওয়ার রাস্তাটুকু তাকে হেঁটে যেতে হয়। সে রাস্তা যেমন সরু তেমনই কর্দমাক্ত। তাই এই মুহূর্তে তার কাছে সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত বস্তু হচ্ছে বৃষ্টি।
স্বাতীর পাশে যে বান্ধবী বসে আছে তাকে অবশ্য এতটা চিন্তিত মনে হচ্ছে না। হয়তো এই রিক্সাটা তার বাসা পর্যন্ত যাবে বলে। স্বাতীকে তালতলা সুপার মার্কেটের গলিতে নামিয়ে দিয়ে সে সিপাহীবাগ যাবে।