“শিশু ছিলাম, ছিলাম ভাল, যৌবন কেন আসিল?” গানটি বোধকরি সবার জানা। এ গানের গায়ক বুঝেছিলেন, জগতে বড় হওয়াই দোষের। কারণ ডাঙর বয়স এলে মনে জাগে অতন্দ্র প্রেম। সে প্রেম নাড়ায় বেশি, বাড়ায় কষ্ট। কখনো তা প্রেমানন্দকেও দাবিয়ে দেয়। তবু প্রেম-পিপাসা কী আর থামার রোগ! প্রেম-পিপাসা বড় পিপাসা যা বুক উচলে পড়ে। বারণ ভেঙে জাগরণ ঘটায় নব নব প্রেমের।
বুঝে, না বুঝে ধরা খায় প্রেমজালে। আসলে প্রেমে ধরা সে মন চৈত্র-বৈশাখের মোচা ফাটা শিমুল তুলার মতো। কেবল ওড়ে আর ওড়ে। কোন গিঁটে আটকাতে না গিয়েও কীভাবে যেন আটকে যায় নানান গিঁটে। আর গিঁটে আটকে পুড়ে মন, বাড়ে জ্বালা। কেননা, যে মন একবার বসেছিল খোঁপার গিঁটে, সে মন চাইলেই কী পারে সেই চেনা খোঁপার ঘ্রাণ ভুলে যেতে? যেন,
ভোলে না মন, নষ্ট প্রেমের ঘ্রাণ; কষ্ট-মাখা প্রেমাখ্যান;
অবুঝে হারানো ভালোবাসা; অব্যক্ত পিরিত আশা।
তবু সে যে, না ভোলাতেই আনন্দ, অতীত সুখে সুখ নিতে লাগে না মন্দ।