বইটি প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে
হৃদয়ের সম্পর্কের জন্ম সৃষ্টির আদি লগ্নেই। নব রসের সৃষ্টিও সেই অনাদি কালে। সেই প্রাগৈতিহাসিক কালে নর-নারীকে মধুর বা শৃঙ্গার রস কেউ শিখিয়ে দেয় নি। আদিম প্রবৃত্তি নতুন কোনো বিষয় নয়। যুগের ব্যবধানে কালের বিচারে তার প্রকাশ পায় নতুন আঙ্গিকে নতুন ভাবে নতুন রূপে নতুন ধরনে। ভালবাসার প্রকাশও এক নয়; ছিল না কখনোই একই রকমে। বিষয় এক; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈচিত্র্য। লেগেছে বহুমাত্রিক রঙের ছোঁয়া। জীবনে লেগেছে নব রঙের মিশ্রণ। জীবন তাই রঙিন হয়েছে। কখনো লালের মাঝে কালো ছোপ, কখনো বা কালোর মাঝে লাল নীল হলুদ সবুজ অথবা বেগুনি...
দীপ্র ভালবাসে অপ্সরাকে। অপ্সরার কোনো রকম মানসিক প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ বিয়ে হয় অন্যত্র। বিয়ের পরে দীপ্রর কাছে ক্ষমা চাওয়ার মুখও তার থাকে না। দীপ্রকে বোঝানোর ভাষাও তার নেই। অপ্সরা লুনাকে বিয়ে করার প্রস্রাব দেয় দীপ্রকে। লুনা ভালবাসে দীপ্রকে। কিন্তু দীপ্র? দীপ্র কী মেনে নেবে এই প্রস্রাব? মানুষ যাকে চায় সব সময় তাকে পায় না, আবার যাকে পায় তাকে চায় না-এমন টানাপোড়েন অহর্ণিশ মানুষের হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করে। এরকম ত্রিভুজ প্রেমের টানটান গল্প নিয়ে উপন্যাসের কাহিনি।