পাকিস্তান রাষ্ট্রে কেন্দ্র-প্রদেশ শৃংখলে পূর্ব বাংলা ছিল সর্বাপেক্ষা ভঙ্গুর অবস্থানে এবং এই প্রদেশের রাজনীতি চিহ্নিত হয় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি বশ্যতাহীন বিরুদ্ধতার প্রতীক হিসাবে। ব্রিটিশ শাসনামলে পূর্ব বাংলার জনগণ ক্ষমতার নানামুখী অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহারের ফলে যে পরাধীনতাপাশে আবদ্ধ ছিল, পাকিস্তানে তার সমাপ্তি ঘটেনি, বরং তা অব্যাহত ছিল অধিকতর সক্রিয়ভাবে। বস্তুত ১৯৪৭ সালে রাজনৈতিক স্বাধীনতা পাকিস্তানের যে শাখার জনগণের মুক্তি এনেছিল, তারা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক শ্রেণী।'
পূর্ব বাংলার জনগণ বরং স্বাধীনতার ফল থেকে বঞ্চিত হয়ে প্রতিনিয়ত অনুভব করেছে যে, এই অর্জন তাদের জন্য এক বিদেশি প্রভূর আসনে অন্যজন মাত্র। পাকিস্তান গণপরিষদ বিতর্কে ১৯৪৮ সালেই এই উপলব্ধির প্রকাশ ঘটে বেগম শায়েস্তা ইকরামুল্লাহর বক্তব্যে- "A Feeling is growing among the Eastern Pakistanis that Eastern Pakistan is being neglected and treated merely as a 'colony' of west Pakistan. গবেষক ও বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে পূর্ব বাংলার ২ উপর আরোপিত হয়েছিল 'Internal neocolonialism