মানুষ যখন শিকারি-সংগ্রাহক জীবনধারা থেকে কৃষিভিত্তিক স্থায়ী জীবনের দিকে অগ্রসর হলো, তখনই প্রকৃত অর্থে প্যাকেজিং একটি নতুন মাত্রা লাভ করে| কৃষির উদ্ভব মানেই শুধু খাদ্য উৎপাদনের বিপ্লব নয়; এর সঙ্গে যুক্ত ছিল উদ্বৃত্ত, সংরক্ষণ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিনিময়ের নতুন বাস্তবতা| শস্য, ডাল, বীজ কিংবা কন্দজাত খাদ্য মৌসুমি উৎপাদনের ফলে মানুষকে ভাবতে হলো কীভাবে এই খাদ্য সারা বছর ভালো রাখা যায়, কীভাবে তা এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নেওয়া যায়| এই প্রয়োজন থেকেই জন্ম নেয় মাটির পাত্র, ঝুড়ি, চামড়ার থলি ও নানা ধরনের ধারক| এই ধারকগুলোই আধুনিক অর্থে প্যাকেজিংয়ের আদিম রূপ|