রাসেল ভাই কলেজের পার্টটাইমের শিক্ষক। স্থায়ী হওয়ার জন্য অনেক গুতােগুতি করছেন লাভ হচ্ছে না। তিনি কোনাে দল করেন না। বারবার তার ফুলটাইম হওয়ার আবেদনটা ফেরত আসছে। দু-ছেলে আর স্ত্রী নিয়ে তার সংসার আয় কম। তাই চাপাচাপি করে দুই রুমের একটা ফ্ল্যাটে থাকেন। হঠাৎ-ই একদিন তার চাকরিটা স্থায়ী হয়ে গেল। শামুকের খােলসের মতাে দুই রুমের ফ্ল্যাট ছেড়ে রাসেল উঠলেন চার রুমের বেশ বড়সড় একটা বাড়িতে। চারতলা বাড়ির তৃতীয় তলা। রাসেল ভাই ডাইনিংরুমের পর্দা লাগাতে গিয়ে দেখলেন জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির যে ফ্ল্যাট দেখা যায় সেখানেও তাদের মতাে পর্দা। রাসেল ভাই নতুন বাড়ির বারান্দাতে বেশ কয়েকটা নতুন ফুলের টব এনেছেন। বারান্দার পরে মহল্লার চওড়া রাস্তা। রাস্তার পরে আরেকটা বিল্ডিং। বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে যে খাট দেখা যায় সেটিও রাসেল ভাইদের মতাে। সে বাড়ির পর্দাও তার বাড়ির মতাে। তিন বাড়ির পর্দা-ই একই রকম? তিন বাড়ির রুচির মিল না অন্যকিছু?
| বইয়ের নাম | প্যারালাল ইউনিভার্স |
| লেখক | শরীফ উদ্দিন সবুজ |
| প্রকাশনী | ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ |
| আইএসবিএন | 9789849045205 |
| ভাষা | বাংলা |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 80 |
| সংস্করণ | 1st Published, 2015 |
| বিভাগ | সায়েন্স ফিকশন |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।