রাজস্থানের পার্ব্বত্যপ্রদেশ রূপনগর নামে একটি ক্ষুদ্র রাজ্য ছিল। রাজ্য ক্ষুদ্র হউক, বৃহৎ হউক, তার একটা রাজা থাকিবে। রূপনগরেরও রাজা ছিল। কিন্তু রাজ্য ক্ষুদ্র হইলে রাজার নামটি বৃহৎ হওয়ার আপত্তি নাই-রূপনগরের রাজার নাম বিক্রমসিংহ। বিক্রমসিংহের আরও সিবেশষ পরিচয় পশ্চাৎ দিতে হইবে। সম্প্রতি তাঁহার অন্তঃপুরমধ্যে প্রবেশ করিতে আমাদিগের ইচ্ছা। ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্র রাজ্য; ক্ষুদ্র রাজধানী, ক্ষুদ্র পুরী। তন্মধ্যে একটা ঘর বড় সুশোভিত।
গালিচার অনুকরণে শ্বেতকৃষ্ণ-প্রস্তররঞ্জিত হর্য্যতল; শ্বেতপ্রস্তরনির্মিত নানা বর্ণের রত্নরাজিতে রঞ্জিত কক্ষপ্রাচীর; তখন তাজমহল ও ময়ুরতক্তের অনুকরণই প্রসিদ্ধ, সেই অনুকরণে ঘরের দেওয়ালে সাদা পাথরের অসম্ভব জাতীয় ফল ভোজন করিতেছে। বড় পুরু গালিচা পাতা, তাহার উপর এক পাল স্ত্রীলোক, দশ জন কি পনর জন। নানা রঙের বস্তের বাহার; নানাবিধ রত্নের অলঙ্কারের বাহার; নানাবিধ নবদুর্ব্বাদলশ্যামা, খনিজ রত্নরাশিকে উপহাসিত করিতেছে। কেহ তাম্বুল চর্ব্বণ করিতেছে, কেহ আলবোলাতে তামাকু টানিতেছে-