ইতিহাসের কত ছেঁড়াপাতার সিন্দুক এই রানিফুপু! কেমন করে নিজদেশ, জন্মভূমি সবকিছু ছেড়ে উত্তর গোলার্ধের বরফঢাকা এই দেশে কীভাবে নিঃসঙ্গে, নিঃশব্দে চিরবিদায়ের অপেক্ষায় সময় পার করছেন!
গেস্টরুমটার পাশ দিয়ে ওপরে যাবার সিঁড়ি। সিঁড়ির সামনেই বসবার ঘর। মস্ত হল ঘরের মতন। দেয়ালে দেয়ালে সুদৃশ্য প্রাকৃতিক দৃশ্যের বাঁধানো ছবির মধ্যে একটা বড় ফ্যামিলি পোর্ট্রেট। বহুদিনের পুরনো ছবি। রানিফুপুর স্বামীর সাথে তোলা ছবি। সাদাকালো থেকে রঙ করে রঙিন বানানো হয়েছে বোঝা যায়। একটা হাতলঅলা চেয়ারে বসা রানিফুপু, পাশে স্যুট-টাই পরা তাঁর স্বামী দাঁড়িয়ে।
ওপর থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার পদশব্দে সেদিকে চোখ ফিরাতেই মুক্তির সাথে চোখাচোখি। নিরুদ্বিগ্ন ভাবে দরজা পেরিয়ে মুক্তি রানিফুপুর ঘরের মধ্যে এসে দাঁড়িয়ে উত্তেজনাহীন কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল, কবে এলেন? এমনভাবে কথাটা মুক্তি জিজ্ঞেস করল,