যেসব কাজ করতে মানা
জীবনের প্রতিটি বাঁকে আমরা খুঁজে ফিরি সত্যের দীপ্তি, সঠিক পথের আলোকবর্তিকা। “যেসব কাজ করতে মানা”—বইটি সেই পথপ্রদর্শকের মতো, যা আমাদের সামনে তুলে ধরবে কীভাবে নিষিদ্ধ কাজগুলো এড়িয়ে সত্যের পথে এগিয়ে যাওয়া যায়।
পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে রচিত এই গ্রন্থে জীবনের নিষিদ্ধ কাজগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, আর সেগুলো থেকে বিরত থাকার সুনির্দিষ্ট পথও দেখানো হয়েছে। বইটির ভাষা সহজ, সাবলীল, এবং হৃদয়স্পর্শী। প্রতিটি অধ্যায়ে নিষেধাজ্ঞার কারণ এবং তার সামাজিক, ব্যক্তিগত, ও আত্মিক প্রভাব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
“যেসব কাজ করতে মানা”—কেবল একটি নির্দেশনামূলক গ্রন্থ নয়; এটি জীবনের সঠিক দিশা খুঁজে পাওয়ার এক অনন্য দিকনির্দেশক। যারা ইসলামের আলোকে নিজেদের জীবন গড়তে চান; যারা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনে ইসলামের নির্দেশনাকে প্রাধান্য দিতে চান—তাদের জন্য এটি এক অপরিহার্য সহচর। আলোকিত জীবন গড়ার পথে এই বইটি হয়ে উঠবে এক অবিস্মরণীয় সঙ্গী—যা নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থেকে সত্যের পথে চলার প্রেরণা জোগাবে এবং ইসলামের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
নুসাইবা
সময়ের পরিক্রমায় চলে আসছে সত্য-মিথ্যার লড়াই। অসমাপ্ত এই লড়াইয়ে ‘সত্য’ সাময়িকভাবে পরাজিত হলেও পরক্ষণেই মিথ্যাকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করেছে। মিথ্যা কখনোই টিকে থাকতে পারেনি। সর্বময় ধসে পড়েছে ঠুনকো দেওয়ালের মতো।
তবুও থেমে থাকেনি সত্য-মিথ্যার এই আক্রমণাত্মক পথচলা। কখনো থামারও নয়। এই পথচলা সমাপ্ত হবে সেদিন—মহান রব যেদিন রায় ঘোষণা করবেন। মিথ্যা-অন্যায় শাস্তির অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হবে। সত্য-ন্যায়, পরম শান্তিতে নিজ প্রাসাদে অবস্থান নেবে।
সময়ে সময়ে চলে আসা মিথ্যার ঝঞ্ঝাটের একটি ‘নারীবাদ’। খালি চোখে খানিকটা বিজয়ী মনে হলেও পরক্ষণেই তার পরাজয়টা সুস্পষ্ট দৃষ্টিগোচর হয়। দেখতে পারা যায় সত্যের বিজয় চিহ্ন। তারই ধারাবাহিকতায় ‘নুসাইবা’ বইটি।
আমাদের জীবন বৈচিত্র্যময়, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে আমাদের বিশ্বাস, দুঃখ, হাসি, প্রেম- ভালোবাসা ও স্বপ্নের অজস্র রঙ মিশে থাকে। এই বইটিও ঠিক তাই। শুধুমাত্র একটি সাহিত্যিক প্রচেষ্টা নয়, এটি অস্তিত্বের সেই অজ্ঞাত যাত্রার গল্প, যেখানে প্রাপ্তি এবং হারানো—উভয়ই একে অপরকে ছাপিয়ে চলতে থাকে।
এই বইয়ের প্রতিটি কথা, বাণী, উপদেশগুলো আলেয়ার মতো, যা পরতে পরতে আমাদের অন্তর্দৃষ্টি খুলে দেয়, এবং তা বাস্তবতার সাথে চমৎকারভাবে মিশেল। বইটি একটি সেতু, যারা নিজেদের জীবনের রহস্যময় পথে হাঁটছেন, কিন্তু কখনও চলার পথে অদৃশ্য দেয়াল প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়, তখনই ইউটার্ন নিতে গিয়ে পথ হারিয়ে নিজেকে আবিষ্কার করেন হতাশা, অভাব কিংবা ডিপ্রেশনের মায়াজালে। তাই, বইটি ছোট-বড় সকলেরউ পড়া উচিৎ। এতে আপনার যাপিত জীবনের সমস্ত অস্থিরতা মনস্তাপ ভুলিয়ে আত্মার শুভপ্রতিফলন ঘটাবে।
অবশেষে, এই বইটি একটি নিরন্তর অনুসন্ধান—নিজের মধ্যে সেই অজানা জগতের সন্ধান, যা আমাদের তলিয়ে যাওয়া বা উঠে দাঁড়ানোর পথে অপরিহার্য। এটি একটি আয়না, যেখানে আপনি আপনার নিজেদের ভেতরের সংগ্রাম, আশঙ্কা, আর একাধিক সম্ভাবনা দেখতে পাবেন। আশা করি, এই বইয়ের প্রতিটি পাতা আপনাকে আরও একবার জীবনের প্রকৃত গভীরতা উপলব্ধি করার সুযোগ দেবে।
একজন মুসলিমের ঈমান রক্ষা করা তার জীবনের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। ঈমান খুব স্পর্শকাতর, নাজুক একটা জিনিস। দৈনিক কতবার আমাদের ঈমান চলে যাচ্ছে ছোট ছোট কারণে বা বড় গুনাহগুলোর কারণে তা আমরা নিজেরাও জানিনা। এমনকি কোন কাজগুলো করা গুনাহ বা কোন গুণাহগুলো আমাদের ঈমানের বেশি ক্ষতির কারণ সেগুলো সম্পর্কেই আমাদের কোন জ্ঞান নেই।
এমন কিছু পাপকর্ম আছে, যা একে একে একজন মুসলিমের অন্তর ও ঈমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তাকে চরম অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত করতে পারে। আর যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে ভোগ করতে হবে জাহান্নামের ভয়ংকর শাস্তি।
ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ লাহোরের হাদিস অনুসদের প্রফেসর আবু ইউসুফ বিন আব্বাস তার ঈমান বিধ্বংসী সাতটি পাপ বইতে মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক করার জন্য এই সাতটি কবিরা গুণাহর বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বইটিতে এই গুনাহগুলোর পরিণতি এবং এগুলো থেকে নিজের ঈমান রক্ষা করার উপায়ও বর্ণনা করা হয়েছে।
আপনার ঈমানকে সুরক্ষিত রাখতে বইটি আজই সংগ্রহ করুন।
‘দীনের মূল হলো গাইরত। যার গাইরত নেই, তার দীনও নেই। গাইরত অন্তরকে সুরক্ষিত রাখে, ফলে দেহের অঙ্গগুলোও সুরক্ষিত থাকে। আর তা অশ্লীলতা ও নোংরামি দূরে রাখে। গাইরতহীনতা অন্তরের মৃত্যু ঘটায়। ফলে দেহের অঙ্গগুলোও মৃত্যুবরণ করে। এমতাবস্থায় অঙ্গগুলোর মধ্যে আর কোনো শক্তি বাকি থাকে না। মানুষের অন্তরে গাইরত হলো দেহে রোগপ্রতিরোধকারী শক্তির মতো; যা কিনা রোগ প্রতিহত করে এবং রোগের সাথে যুদ্ধ করে। এই রোগপ্রতিরোধকারী শক্তি যখন থাকে না, তখন রোগ সুযোগ পেয়ে যায় এবং দেহে জায়গা করে নেয়। আর তখনই ধ্বংস অনিবার্য হয়ে পড়ে।’
—ইমাম ইবনুল কাইয়িম রহ.।