রবীন্দ্রনাথ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা । মিথ্য নয়,১৯৪১ সালের ৮ মে তিনি সে স্বপ্ন প্রেক্ষিতে মৃত্যুর মাত্র চার মাস আগে ভবিষ্যৎবাণী করেন,‘বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সুর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে । একদিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সকল বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ মর্যাদা পাবার পথে । রবীন্দ্রনাথ হিন্দু কবি,মুসলমানদের দুঃখ বেদনা তিনি উলেখ করেন নি,বরং তাঁদের প্রতি যথেষ্ট অশ্রদ্ধার ভাব পোষণ করতেন,তাঁর সাহিত্য পড়ে তাই মনে হয় । জাতীয় সংগীত উচ্চারণ করতে গেলে গলায় কুট কুট করে । এসব অবলুণ্ঠন উন্মোচনা করে জাতিকে সত্যতার শীর্ষে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছে বর্তমান মুসলমান বাঙালিদের ওপর,সে জন্য জাতির এ দুর্ভাগ্যের কালে বেশি করে রবীন্দ্রনাথ ও রবীন্দ্র চিন্তা পুনর্বিচার বিবেচনার দাবী রাখে । এ দাবী যতদিন পূরণ না হবে জাতি হিসেবে,দাবী করার কোনও অধিকার থাকবে না ।