এই ডাইনোসরটির বাস ছিল জলে। প্রথম দিকের থেরোপডদের আবির্ভাব ঘটে জল থেকেই। ওরা দেখতে ছিল অনেকটা বর্তমানকালের কুমিরের মতো। ক্রমে ক্রমে ওরা জল থেকে উঠে আসে ডাঙায়। থেকোডোন্টরা জলে-স্থলে উভয় স্থানে চলাফেরা করতে পারত। তবে কালের বিবর্তনে তারা ধীরে ধীরে এক সময় পুরোপুরি স্থলচর ডাইনোসরে রূপান্তরিত হয়ে গেল। তবে তারা স্থলচর ডাইনোসরে রূপান্তরিত হলেও চলাফেরা করত কুমির বা গিরগিটির মতোই। তারা মাটির সাথে সমান্তরালভাবে চলাফেরা করলেও কখনো কখনো সোজা হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করত এবং তারা তা পারতও তবে তা খুব বেশি সময়ের জন্য নয়। তাদের পিছনের পা ছিল বড়,সামনের পা ছোট। আর ছিল দেহের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য বিরাট একটি লেজ। বিজ্ঞানীরা গবেষণার সময় ডাইনোসরদের কঙ্কাল দেখে,তাদের গোড়ালির হাড় ও কোমরের হাড়ের গঠন দেখে খুব সহজেই বুঝতে পারতেন সেই ডাইনোসরটি কত বড় ছিল,তারা কী খেত। শুধু তাই নয় সেসব দেখে এটাও বোঝা যেত তাদের গায়ে কেমন শক্তি ছিল।