“রহস্যময় দ্বীপ” বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ ১৮৬৫ সাল। আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় ভার্জিনিয়ার রিচমন্ডে উত্তরের পাঁচ যুদ্ধবন্দী গ্যাস ভরা বেলুনে পালিয়ে যায়। সাথে একটা কুকুর। অবতরণ করে অজানা,অচেনা এক দ্বীপে যেখান থেকে বেরিয়ে আসার কোনও পথ নেই। তারপর শুরু হয় বেঁচে থাকার লড়াই। টিকে থাকার সংগ্রামে নেতৃত্ব দেন প্রকৌশলী সাইরাস স্মিথ। তৈরি হয় মৃৎশিল্প,ইট,নাইট্রোগ্লিসারিন,লােহা,একটা সাধারণ বৈদ্যতিক টেলিগ্রাফ এবং আগুন। ‘গ্রানাইট হাউস’ নামে একটা গুহায় ঘর তৈরি হয়। এই লড়াইয়ে প্রায়ই ঘটে অলৌকিক ঘটনা যার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। দীর্ঘ দিন অবস্থানের পর খোঁজ পাওয়া যায় বসতি স্থাপনকারীদের রহস্যময় উপকারীর। তিনি এখন জীবনের শেষ প্রান্তে,মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে। এদিকে দ্বীপের আগ্নেয়গিরির ভেতর চলছে আলােড়ন। রহস্যময় উপকারী কি এবার পারবেন এদের দিকে আবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে?