কবি অবাক হলেন। মুগ্ধতায়-বিস্ময়ে নতজানু হলেন তিনি। নতজানু হলেন হৃদয় কাঁপানো অন্তহীন এক রূপরাশির কাছে, নতজানু হলেন অচিন দেশের এক রূপবতী মায়াবতীর ফুল ফোটা সৌন্দর্যে শিউরে ওঠা আপন হৃদয় নীড়ের কাছে। হৃদয় আকুল প্রার্থনায় নিজ কানেই শুনলেন নিজের মাঝে ভাঙনের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি। অনন্য সাধারণ শারীরিক সৌন্দর্যের এক কিশোরীর সর্বস্ব জুড়ে মাত্র ফুঠে ওঠা যৌবন রাশির সামান্যতম দর্শনেই সারা শরীর জুড়ে যেন আগুন লেগে গেল তার।
কবি কেঁপে উঠলেন। যদি সামান্যতম ক্ষণের জন্যও অতুল এই অপরূপার বিরল সান্নিধ্য তিনি পেতেন-তার জন্য যদি জীবন দিতে অসময়ে বরণ করতে হতো মৃত্যুকে এতটুকু আক্ষেপ করতেন না তিনি। কে ।। কে জানে তার পূর্বসূরি একে নিয়েই লিখেছেন কি না হৃদয়ের 'বাজল বুকে সুখের মতো ব্যথা' তারও বুকের মাঝে, গহিন অতলে এখন শ্বাসরুদ্ধকর সুখের বন্যা এতটাই বেশি যে তা ব্যথার মতই অনুভূতি আনে। দীর্ঘকায় গৌরবর্ণ এই বয়েসী কবি অনড় হয়ে অপলক চেয়ে রইলেন অপরূপার পানে।