যেন সে মাটি ফুঁড়ে জেগে ওঠা এক সরল চারাগাছ, আমাদের এই গল্পের প্রধান চরিত্রটি। এই গল্পটি সেই সরলবালার, নাম যার তারামালা। সে চোখ মেলে যেদিকেই তাকায়, মুগ্ধ হয়। তাকে মুগ্ধ করে পুকুরের জল, গাছের সবুজ। কতরকম সবুজ গাছে গাছে! তারামালা সবুজ বিরিক্ষিদের ভালোবাসে। বাংলাসাহিত্যে নিজের সাথে নিজের বোঝাপড়াটা বাঙালি বালকের হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাঙালি বালিকা মনের এমন টুকরা-টাকরাটা কেউ এমন করে বলে যায়নি এর আগে। এমন মাটিমাখা সুরে, এমন স্নিগ্ধ স্বরে কেউ বলেনি বালিকাজীবনের পরানকথা। রৌদ্রে কুসুমে বিরিক্ষিপত্রে যেটুকু ব্যথা খচিত হয়ে আছে এর স্মারক হয়ে থাকুক পাঠকের কাছে।