পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ঠিক লাগোয়া একস্থানে পাওয়া গেল একজন বিদেশির লাশ। বাংলাদেশ প্রত্নবিভাগের অফিসার রাজিয়া এবং পুলিশের তদন্তের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন ভারত থেকে এক সেমিনারে যাওয়া মনোময়।
প্রথমে মূর্তি পাচারের কথা ভাবা হলেও দেখা গেল প্রাচীন অ্যালকেমি বিদ্যার মাধ্যমে সোনা তৈরির এক চক্র সক্রিয় এখানে। পরপর কয়েকটি খুন হয়ে গেল এবং আক্রান্ত হলেন রাজিয়া ও মনোময়। এদিকে বাংলাদেশের তদন্তকারী অফিসারদের একাংশ চাইছেন না মনোময় এর মধ্যে থাকুন। সে কি মনোময় ভারতীয় বলে, নাকি তাদের আসলে যোগ রয়েছে এই চক্রের সঙ্গে?
নানা প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে কী করবেন মনোময় এবং রাজিয়া?
বৌদ্ধ ও হিন্দু তন্ত্রক্ষেত্রগুলি নিয়ে রহস্যময় তথ্য সামনে আনতে শুরু করলেন মনোময়। সত্যিই কি এর সঙ্গে যোগ রয়েছে অ্যালকেমি নিয়ে চর্চা করা ওই চক্রের।
চক্র কি আসলে একটি, নাকি একাধিক? সেই চক্র কি আন্তর্জাতিক?