হন্তদন্ত হয়ে বিমান বন্দরের গেটের সামনের উঁচু ফুটপাতটাতে কালো পাজেরো থেকে নামলো অর্পিতা চৌধুরী। একেবারে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো। এতক্ষণ যে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে অসহনীয় অবস্থায় প্রতিটি মুহূর্ত অতিবাহিত হচ্ছিল তা এই মুহূর্তে দূর হয়ে গেল। ববকাট ছাঁটানো সামনের সোনালি চুলগুলো বাতাসে উড়ছিলো ফুর ফুর করে এলোমেলোভাবে।
পাঁচ সাত সেকেন্ড পর পরই রিমলেস্ ফ্রেমে আঁটা চশমার ডানদিকের গ্লাসের উপরে একফালি চুল এসে পড়ছিলো। মাথাটা একটু ডান দিকে বাঁকিয়ে নিচু করে ঘুরিয়ে বাঁ হাত দিয়ে চুলগুলোকে সরিয়ে নিচ্ছিলো বারবার অর্পিতা চৌধুরী। ডান হাতে হ্যান্ড ব্যাগটা ধরা। শাড়িই পরেছে আজ। গাঢ়-নীল জমিনের শাড়িতে এ্যাশ কালারের পাড়। ফুটফুটে গায়ে দারুণ মানিয়েছে তাকে। পাঁচ ফিট পাঁচ ইঞ্চি লম্বা শরীরে শাড়িটা ভাঁজ করে পরতে গিয়ে আজও টেনেটুনেই পরতে হয়েছে।
কারণ এত লম্বা শরীরে আঁচল মেলাতে গিয়ে কম করে হলেও দু'বার করে শাড়ি টেনে খুলতে হয় তাকে। এ কারণে বেশিরভাগ সময় অর্পিতা থ্রি-পিসই পরে এবং তা একটু ঢিলে ঢালাই। কিন্তু তা শুধু বাসাতেই