মা, মা, মা এবং বাবা:
এমনসব সৌভাগ্যবান সন্তান, যারা সবকিছুর বিনিময়ে বাবা-মা’কে আগলে রাখে, ভালোবাসে, যেভাবে শৈশবে তাদের আগলে রেখেছিল তাদের পিতা-মাতা, কেমন হয় সেসকল সন্তানদের যাপিত জীবনের গল্প? সেরকম একঝুঁড়ি গল্পের সমাহার নিয়ে রচিত মা, মা, মা এবং বাবা।
বেলা ফুরাবার আগে:
এই বই তাদের জন্য যারা আমার কাছে ‘সাজিদ হতে চাই’ বলে বিভিন্ন সময়ে আবদার করেন। পরামর্শের আবদার, পথনির্দেশের আবদার। সাজিদ হতে হলে, আমি মনে করি, সবার আগে একটা অন্ধকার বৃত্ত থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সাজিদ যেভাবে অন্ধকারের কৃষ্ণগহ্বর ছেড়ে, আলোর ফোয়ারাতে তার জীবন রাঙিয়েছে, সেরকম ঝলমলে আলোর মাঝে নিজেকে মেলে ধরাই ‘সাজিদ’ হবার প্রথম এবং প্রধান শর্ত। কেবল ভারি ভারি বই আর যুক্তির পশরা সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার মধ্যেই ‘সাজিদ’ হয়ে উঠার সার্থকতা নেই। সাজিদ হয়ে উঠার সার্থকতা তখনই যখন সাজিদ যে আদর্শের আলো প্রাণে প্রাণে ছড়িয়ে দিতে চায়, তা আমরা জীবনে মেখে নিতে পারবো।
রিক্লেইম ইয়োর হার্ট:
ভুলে ডুবে থাকা, অচেতন হয়ে থাকা বিস্মৃত অন্তরকে টেনে তুলতে তিনি বাতলে দিয়েছেন একের পর এক উপায়। আত্মিক উন্নয়নের জন্য তিনি এমনকিছু পন্থা মেলে ধরেছেন আমাদের সামনে, যা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবিদার। সেই বইয়ের অনুবাদ ‘হৃদয় জাগার জন্য’।
গুনাহ মাফের উপায়:
গুনাহ করে ফেললে বুঝি আমাদের আর পরিত্রাণ নেই। অথচ আসমানে যিনি আছেন, তিনি রাহমানুর রাহিম। অপার দয়ার ভান্ডার সমেত তিনি তাকিয়ে আছেন তাঁর কোন বান্দা তাঁর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করছে, তাঁর কাছে আশ্রয় চাইছে, তাঁর কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করছে। তিনি অপেক্ষা করেন অনুতপ্ত হৃদয়ের জন্য, অশ্রুসিক্ত দুটো চোখের জন্য, কাঁপা কাঁপা দুটো হাত আর একটি নত মস্তকের জন্য । অতঃপর তিনি তাদের ক্ষমা করেন। যেসব উপায় অবলম্বন করলে আমাদের অন্তর পরিশুদ্ধ হবে, যে আমলগুলো করলে আমাদের আত্মা কলুষমুক্ত হবে—সেসব নিয়েই রচিত হয়েছে ‘গুনাহ মাফের উপায়’।