উপন্যাস লিখছেন আশিকুর রহমান। রাতে উপন্যাসের চরিত্রগুলো পাণ্ডুলিপি ছেড়ে বেরিয়ে আসে, আড্ডা দেয়। পাণ্ডুলিপির পাশে রাখা লেখকের চিরকুটটি পড়ে আঁতকে উঠে ওরা। কাল ওদেরকে কানা রাজার গুহায় ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। উপন্যাসের চরিত্ররা যুক্তি করে চিরকুটটি বদল করে দেয়। লেখকসহ পাণ্ডুলিপি এবং সেই সঙ্গে চরিত্রগুলো প্রথমে ভারতের পুরি চলে যায়। পরে একইভাবে ওরা চলে যায় মহাকাশে, মায়াবতী গ্রহের সপ্তডিঙা নামক দ্বীপে। আশিকুর রহমানকে নিয়ে উন্নত গ্রহগুলোতে হৈচৈ পড়ে যায়। পৃথিবীর প্রথম মানুষটি এসেছেন এখানে। পৃথিবীর সব মেধাবী লোকদের ব্রেন নিয়ে কৃত্রিমভাবে মানুষটি বানিয়ে ব্রেন স্থাপন করে ওরা। এমনিভাবে বানানো রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা হয় আশিকুর রহমানের। রবি ঠাকুর এখন শুধু প্যারোডি লেখেন। আসল কবিতা আসে না। মহাকাশের প্রখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী অনুষ্টুপ হিংস্টন