সবুজ শ্যামল গাঁয়ের শেষ প্রান্তে সুনীল সবুজের ছায়াঘেরা ছবির চিমতো মতো ছোট যে বাড়িটি দেখা যায় সেটি আকাশের বাড়ি। সবুজের প্রতি বরাবরেই আকাশের একটা বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। চৈত্রের নির্মম খরতায় রুক্ষ, জীর্ণ বৃক্ষরাজি যখন বর্ষার উষ্ণ ছোঁয়ায় ফিরে পায় তার হারানো যৌবন, কচি সবুজ পত্রপল্লবে যখন ভরে ওঠে তার জীর্ণ ও রুক্ষ অঙ্গ তখন গাঁয়ের দুরন্ত বালিকার মতোই নব-যৌবনের উন্মত্ত আনন্দে যেমন করে মেতে ওঠে ঠিক তেমনি আকাশের হৃদয় নেচে ওঠে এই সবুজ শ্যামল বাংলার বিশাল অপরূপ সবুজের সমারোহে।
এই শ্যামল গাঁয়ের বিস্তীর্ণ মাঠের অপূর্ব সবুজের বিশাল সমারোহ আকাশকে হাতছানি দেয়, তেমন করে, যেমন করে হাতছানি দেয় সদ্য শৈশব হতে কৈশোরে পদার্পিত গাঁয়ের দুরন্ত বালিকা। গাঁয়ের দুরন্ত বালিকার উদার প্রেমের উদাত্ত আহ্বানে যেমন প্রেমিক ছেলেটি হয়ে ওঠে দিশেহারা তেমনি এই বিশাল প্রান্তরের কচি সবুজের উদাত্ত আহ্বান আকাশের হৃদয়কে করে দিশেহারা।