গভীর রাতে চৈতন্য গলির গোরস্থানের ভেতর সাদা কাফনে মোড়া লাশ দু'জনের কাঁধ থেকে নামাল। গোরস্থানে এখন নির্জনতা, তবে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ শোনা যায়। লাশটি রাখল গোরস্থানের ঠিক মধ্যখানে। রাশেদ টর্চের আলো ফেলে দেখে সাদা কাফনটি রক্তে চচর্ করছে, চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখল আবছা অন্ধকার। গোরস্থানের ভেতর নতুন পুরাতন কবরের বেড়াগুলি দেখা যায়, চতুর্দিক দেয়াল ঘেরা বিরাট গোরস্থানের ভেতর এখন গোরখোক, পাহারাদারকে দেখা যায় না।
রাশেদ চৌধুরীর পরনে প্যান্ট শার্ট, পায়ে শু। পকেটে রিভলবার, ম্যাগাজিন ভর্তি গুলি লোড করা। জসীম বাবুলের পরনে জিন্সের প্যান্ট শার্ট। বয়স পঁচিশ/ছাব্বিশ। রাশেদ চৌধুরী দেখল লাশটি ওরা কাঁধ থেকে নামিয়ে গোরস্থানের বাহিরে রাখা গাড়ি থেকে কোদাল, মদের বোতল নিয়ে আসে।
রাশেদ চৌধুরী ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে রাত তখন এক'টা ত্রিশ। টর্চের আলো ফেলে লাশটির কবরের সীমানা দেখিয়ে বলল, তোমরা গর্ত খুঁড়তে শুরু কর, ভোর হবার আগেই লাশটি পুঁতে ফেলতে হবে।'