প্রবীণ সাংবাদিক সদরুদ্দিন আহমেদের কাছে এক আগন্তুক এলেন। তিনি নিজেকে পরিচয় দিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। তিনি চান সদরুদ্দিন যেন তাঁর একটা জীবনী লেখেন। ক্রমে ক্রমে সদরুদ্দিন জানতে পারলেন মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বারেক ইসলাম কিছুটা ভারসাম্যহীন কারণ যুদ্ধের সময় তিনি মাথায় গুলি খেয়েছিলেন। মানসিক এক অস্থিরতায় তিনি তাঁর মুক্তিযোদ্ধার সনদটি ছিঁড়ে ফেলেছিলেন, যেটি তাঁর স্ত্রী জুঁইয়ের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত বৃক্ষা পায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রেক্ষাপটে লেখক সনদের বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতীকী বিরচন তৈরি করেছেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সনদ লাগে কী না? সদরুদ্দিন নিজেও সাংবাদিক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু যেটি তাঁর নিজের কাছে সৈয়দ বারেক ইসলামের প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধের তুলনায় কাগুজে মুক্তিযুদ্ধ মনে হতে থাকে। সৈয়দ বারেক ইসলামের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় উপন্যাসের শেষের দিকে। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরে সদরুদ্দিন তাঁর অনুরোধক্রমে