"সোনার তরী" হলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কারগ্রহ। গ্রন্থটি বাংলা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক কাব্য সংকলন। ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয় এটি। রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনা 'মানসী-সোনার তরী পূর্ব' — এর অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি । এতে তার কাব্য প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটেছে। গ্রন্থটি তাঁর অসংখ্য কালোত্তীর্ণ কাব্যের মধ্যে একটি
“সোনার তরী” কাব্য এসে কবির মানব প্রীতি নতুন মাত্রা পায়। এতে বাংলার বৃহত্তর জনজীবনের প্রতি আকর্ষণ লক্ষণীয়। এ পর্যায়ে কবির কাব্যচেতনার জীবনদেবতা। তত্ত্বের উন্মেষ ঘটে। এ কাব্যের অনেকগুলি কবিতার সঙ্গে পদ্মাপাড়ের পল্লীপ্রকৃতির গভীর যোগ বিদ্যমান । রবীন্দ্রনাথের নিজের ভাষায় “আমার বুদ্ধি এবং কল্পনা এবং ইচ্ছাকে উন্মুখ করে তুলেছিল এই সময়কার বিশ্বপ্রকৃতি এবং মানবলোকের মধ্যে নিত্য সচল অভিজ্ঞতার প্রবর্তনা। এই সময়কার কাব্যের ফসল ভরা হয়েছিল সোনার তরীতে।” “সোনার তরী” কবিতাটিতে কবি জীবন ও তার কীর্তির ক্ষণস্থায়ী অস্তিত্বের কথা বলেছেন।
এই কবিতার শেষ পঙক্তি দুটি অবিস্মরণীয় — "শূন্য নদীর তীরে রহীনু পড়ি / যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।”