"তারা" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
তারার শরীর কাঁপছে, ভয়ে অথবা ঘৃনায়। একটু পরেই তার বাবার প্রেমিকা কিংবা স্ত্রী , তাকে মুহূর্তের বিহ্বলতায়। ছাদ থেকে অথবা জীবনের গন্ডি থেকে অন্য দুনিয়ার দিকে ছিটকে ফেলে। খুব ধীরে সে শ্যাওলা ধরা দালান বাড়ীর গা বেয়ে নীচের দিকে নামতে থাকে। তারা প্রথম যেদিন এই ছাদে এসেছিল, সেদিন তার খুব ভয় লাগছিলাে। আজ সে ভীষণ নির্ভার, আজ তারা পথিবীর সকল শঙ্কা মুক্ত। তার আর জানতে ইচ্ছে করে না সাইন্স পড়ে কি লাভ? তার আর লালবাগের কেলা, পরীবিবির মাজার দেখার শখ নাই। তারা, তারা হয়ে আকাশে থাকলেই ভালাে। তারারা এই পৃথিবীতে বেমানান। তারা এখন থেকে সেই স্বপ্নের নবজাতকের সাথেই জুল জুল করবে। ভাবনা গুলাে এমনই, সবকিছু সঠিকভাবে মিলে যাবে, তার কোন মানে নেই।