“তিন গোয়েন্দা ভলিউম ৬৯” বইটির শেষের ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ পাগলের গুপ্তধন পরানাে একটা দুর্গ দেখতে গিয়ে নতন রহস্যের খোজ পেয়ে গেল তিন গােয়েন্দা। হারানাে গুপ্তধনের গল্প শুনল,তদন্তে নামল ওরা। ভয়ঙ্কর শত্রু লাগল পেছনে,গুপ্তধন হাতে পাওয়ার জন্য যারা যে কোন অপরাধ করতে রাজি। দুখী মানুষ বিশাল নির্জন প্রাসাদের প্রতিটি ঘরে তালা। কারও ঢােকার উপায় নেই। সেজন্য ব্যালকনি ঘরের ভিতর আলো জ্বলতে দেখে অবাক হলাে কিশাের। তদন্ত শুরু হতেই ঘটতে থাকল একের পর এক রহস্যময় ঘটনা। মমির আর্তনাদ লিবাটি ওকসে হিরু চাচার কাছে বেড়াতে এসেছে তিন গােয়েন্দা। শহরের জাদুঘরে সদ্য এক মমি আনা হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে। ঘটনাচক্রে,কিশােরকে পেয়ে বসল মমিটা। ওর শরীরটা দখল করে নিয়ে শুরু করতে চাইছে নতুন জীবন। ভয়ানক বিপদে পড়ে গেল এখন ভরসা দুই বিশ্বস্ত বন্ধু…