‘কাকা, আসমানো ঐডি কী?’ হাত ইশারা করে দেখাল ভাগ্য।
দারিফ বলল, ‘ঐডি অইল তারা।’
‘তারা কী?’ ভাগ্যলতা’র এই প্রশ্নের উত্তর দারিফ নিজেও জানে না। কিন্তু সে জানে কীভাবে ভাগ্যকে আনন্দ দেওয়া যায়। দারিফ গলায় গাম্ভীর্য নিয়ে এসে বলল, ‘তারা হইলো মাইনষের হাসি। তোর আমার সবার হাসি। আমরার পেট থেইকা হাসি যখন বাইর হইয়া যায়, তহন ঐডা তারা হইয়া আসমানো চইলা যায়।’
দারিফের কথায় মুগ্ধ চোখে তারার দিকে তাকিয়ে রইল ভাগ্যলতা। সে কয়েকটা তারার দিকে গভীরভাবে তাকিয়ে থাকার পর জিজ্ঞেস করল, ‘আমার হাসি কোনডা কাকা?’
দারিফ আঙুলের ইশারায় আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারাটি দেখিয়ে বলল, ‘ঐ যে, ঐডা তোর হাসি৷ দ্যাখ কী জ্বলজ্বল করতাছে!’
মোহগ্রস্তের মতো জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকা তারাটির দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে রইল ভাগ্য। নিজের হাসি দেখে যেন নিজেই অবাক হচ্ছে সে। কী সুন্দর প্রাণবন্ত হাসি তার!