হেমন্তের এক মায়াবী সকালে একটি উজ্জ্বল আলোকরশ্মি জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেছে। রশ্মিটির আলোকচ্ছটা এত তীব্র যে সদ্য জেগে ওঠা মানুষটির ঘুমের রেশ লেগে থাকা চোখে পড়ার সাথে সাথেই তা কুঁচকে যায়। বিরক্ত হয়ে ওঠে মানুষটি। রেগে কিছু বলার আগেই পাশে ঘুমানো সঙ্গীর চেতনা পরখ করে চোখ সরাতেই দেখে বিছানার সমান্তরালে রাখা ড্রেসিং টেবিলের উপর একটি নাকফুল সাইজের পাথর জ্বলজ্বল করছে।
অবাধ্য আলোকরশ্মিটি পাথরটির — পুরো শরীর ভরিয়ে দিয়েছে এমন এক মোহনীয় আলোয় যে সেটাকে মূল্যবান হীরা বলে মনে হলো মানুষটির। এ রকম অনুভূতির সাথে সাথে সে চট করে বিছানা থেকে নেমে স্বর্ণের ফ্রেমের চশমাটি পরে পাথরটির কাছে যায় এবং সেটা হাত দিয়ে তুলে নেয়ার আগে আরেকবার তার আকুল করা রূপ দেখে মুগ্ধ হয় এবং খানিকটা থমকে যায়। এরপর ডানহাতের শাহাদত ও বৃদ্ধাঙ্গুলকে চিমটা বানিয়ে পাথরটি তুলে বাম হাতের তালুতে রেখে জহুরীর মতো তা পরীক্ষা করতে থাকে। বাম হাত থেকে পাথরটি ডান হাতের তালুতে নিয়ে সে হাতটা কাছে দূরে নিয়ে পরীক্ষা করার সময় মাঝে মাঝেই তেজি আলোকরশ্মিটি আবারো পাথরটির...